জাস্টিসিয়া (Justicia Q) এঢাটোডা এর উপাদান,কার্যকারিতা ও ব্যবহারবিধি।
জাস্টিসিয়া (Justicia Q) এঢাটোডা এর উপাদান,কার্যকারিতা ও ব্যবহারবিধি
জাস্টিসিয়া এঢাটোডা একটি হোমিও ঔষধ যা Justicia Adhatoda মাদার টিংচার এবং সহযোগী উপাদান নিয়ে প্রস্তুতকৃত হয়। জাস্টিসিয়া এডাটোডা তে বিদ্যমান উপাদান সমূহ ব্রংকাইটিস,নিউমোনিয়া, যক্ষা, স্বরভংগতে বিশেষভাবে ফলপ্রসু। জাস্টিসিয়া এডাটোডা তে ব্যবহৃত ভ্যাসেসিন (Vasicine) ও ভেসেসিনন (Vasicinone) এবং Glycyrrhizin কফকে পাতলা করে এবং ব্রঙ্কাই –এর সরু পথকে প্রশস্ত করে, ফলে ফুসফুসের স্বাভাবিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়। এভাবে জাস্টিসিয়া ফুসফুসের ক্ষত দূর করে ও ব্রঙ্কাইটিসের প্রদাহ উপশম হয়।
উপাদানঃ
জাস্টিসিয়া এডাটোডা (বাসক) এর মাদার টিংচার ও অন্যান্য সহযোগী উপাদান।
বাসক এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি উইকিপিডিয়া অনুযায়ীঃ
বাসক একটি ভারত উপমহাদেশীয় ভেষজ উদ্ভিদ। এ উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম আড়াটোডা বাসিকা । ভারত উপমহাদেশের প্রায় সর্বত্র এটি জন্মে। হিন্দীতে এক বলা হয় ‘আডুসা’, ‘বানসা’ অথবা ‘ভাসিকা’। তবে সংস্কৃত নামের ভিত্তিতে এটির ব্যবসায়িক নাম “বাসক”। আর্দ্র, সমতলভূমিতে এটি বেশি জন্মে। লোকালয়ের কাছেই জন্মে বেশি।
তাজা অথবা শুকনো পাতা ওষুধের কাজে লাগে। বাসকের পাতায় “ভার্সিনিন” নামের ক্ষারীয় পদার্থ এবং তেল থাকে। শ্বাসনালীর লালাগ্রন্থিকে সক্রিয় করে বলে বাসক শ্লেষ্মানাশক হিসেবে প্রসিদ্ধ । বাসক পাতার নির্যাস, রস বা সিরাপ শ্লেষ্মা তরল করে নির্গমে সুবিধা করে দেয় বলে সর্দি, কাশি এবং শ্বাসনালীর প্রদাহমূলক ব্যাধিতে বিশেষ উপকারী। তবে অধিক মাত্রায় খেলে বমি হয়, অন্তত: বমির ভাব বা নসিয়া হয়, অস্বস্তি হয়। পানির জীবাণু মুক্ত করতে, হাত-পা ফুলে গেলে, চামড়ার রং উজ্জ্বল করতে এ গাছের উপকারিতা অনেক।[১] বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় বাসকের ভেষজ গুণাবলি প্রমাণিত হয়েছে।
অন্যান্য উপকারিতা
বাসকের পাতা সবুজ খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং পাতা থেকে হলদে রং পাওয়া যায়। বাসক পাতায় এমন কিছু ক্ষারীয় পদার্থ আছে যায় ফলে ছত্রাক জন্মায় না এবং পোকামাকড় ধরে না বলে ফল প্যাকিং এবং সংরক্ষণ করার কাজে ব্যবহৃত হয়। পাতায় কিছু দুর্গন্ধ আছে বলে পশুরা মুখ দেয় না। সেই কারণে চাষ আবাদের জন্য জমি উদ্ধারের কাজে বাসকের পাতা বিশেষ উপকারী।
ব্যবহৃত অংশ (Useful Parts) :
পাতা (Leaves), ফুল (flowers) এবং মূল (roots)।
রোগ নির্দেশনাঃ
অস্বস্তিকর কাশি
সর্দি
শুকনো কাশি তৎসহ বমি বমি ভাব
শ্বাসকষ্ট
হাঁপানি
ব্রঙ্কাইটিস
ইত্যাদি শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত নানা সমস্যায় জাস্টিসিয়া এডাটোডা Q ব্যবহৃত হয়।
উল্লেখ্য, এখন সারা পৃথিবীব্যাপী করোনা (COVID-19) এর প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা পেতে নিজের পরিবারের সদস্যদেরকে সর্দি, কাশি এবং শ্বাসনালীর প্রদাহমূলক বিভিন্ন ব্যাধি থেকে বাঁচতে আপনার ঘরের খাবার টেবিলে একটি জাস্টিশিয়া মাদার টিংচার এর বোতল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মাত্রা ও ব্যবহার বিধিঃ
শিশুঃ ৫-১০ফোটা করে দৈনিক ৩-৪ বার, প্রাপ্ত বয়স্কঃ ১০-২০ফোটা দৈনিক ৩-৪ বার অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনু্যায়ী সেব্য।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াঃ
সঠিক মাত্রায় সেবনে এর কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি।
সতর্কতাঃ
ব্যবহারের পূর্বে ঔষধ সংরক্ষণকারি বোতলটিকে ভালভাবে ঝাঁকিয়ে নিন।বোতলের মুখ খোলার পর ভালভাবে বন্ধ করুন।শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
সংরক্ষনঃ
আলো থেকে দূরে রাখুন, শুষ্ক ও ঠান্ডা স্থানে রাখুন।











