১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
Uncategorized
ইসলামী জীবন
ঔষধ ও চিকিৎসা
খাদ্য ও পুষ্টি
জানুন
নারীর স্বাস্থ্য
পুরুষের স্বাস্থ্য
ভিডিও
ভেসজ
যৌন স্বাস্থ্য
রান্না বান্না
লাইফ স্টাইল
শিশুর স্বাস্থ্য
সাতকাহন
স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য
স্বাস্থ্য খবর

লিভার পরিষ্কার করবে যে ৫টি খাবার

লিভার দেহের অন্যতম বৃহতম অঙ্গ এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির লিভারের ওজন প্রায় ৩ পাউন্ড। হজম শক্তি, মেটাবলিজম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, পুষ্টি যোগান ইত্যাদি নানান কাজ করে থাকে লিভার। দেহের রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, রক্ত থেকে টক্সিন পর্দাথ দূর, দেহের বিভিন্ন অংশে পুষ্টি যোগানো ছাড়াও লিভার ভিটামিন, আয়রন এবং গ্লুকোজ সংরক্ষণ করে। লিভার শরীর সুস্থ রাখতে অনেকগুলো কাজ করে থাকে। তাই এটি সুস্থ রাখা বেশি প্রয়োজন। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, অতিরিক্ত পরিশ্রম লিভারকে অসুস্থ করে তোলে। লিভার পরিষ্কার রাখবে এমন কিছু খাবার নিয়ে আজকের এই ফিচার।

১। রসুন
লিভার পরিষ্কার রাখার অন্যতম একটি খাবার হল রসুন। এর এনজাইম লিভার থেকে টক্সিন পর্দাথ দূর করে দেয়। এছাড়া অ্যালিসিন এবং সেলেনিয়াম নামক উপাদান যা লিভার পরিষ্কার রাখে এবং ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান হতে রক্ষা করে। প্রতিদিন দুই-তিনটি রসুনের কোয়া খাওয়ার অভ্যাস করুন। এছাড়া ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রসুন দিয়ে তৈরি ভিটামিনও খেতে পারেন।

২। জাম্বুরা
জাম্বুরায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, প্যাকটিন এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা লিভার প্রাকৃতিক ভাবে পরিষ্কার করে। প্রতিদিন এক গ্লাস জাম্বুরার রস পান করুন অথবা জাম্বুরা ফলটি খাবারের সাথে রাখুন।

৩। আপেল
প্রতিদিন একটি আপেল খাদ্য তালিকায় রাখুন যা লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। আপেলের উপাদান দেহের পরিপাক নালী হতে টক্সিন ও রক্ত হতে কোলেস্টরোল দূর করে এবং সাথে সাথে লিভারকেও সুস্থ রাখে। আপেলে আছে আরও কিছু উপাদান- ম্যালিক এসিড যা প্রাকৃতিক ভাবে রক্ত হতে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে। যেকোন ধরণের আপেলই দেহের লিভারের জন্য ভালো।

৪। বিট
বিট আরেকটি শক্তিশালী খাবার যা লিভার পরিষ্কার করে থাকে। ফ্ল্যাভোনয়েড এবং বিটা কারটিন উপাদান সম্পূর্ণ লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক গ্লাস বিটের রস রাখুন। এছাড়া এক কাপ বিটের কুচির সাথে দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং অর্ধেকটা লেবুর রস মেশান। এটি দুই চা চামচ করে দুই ঘন্টা পর পর পান করুন।

৫। গ্রিন টি
গ্রিন টি শরীর থেকে টক্সিন এবং ক্ষতিকর ফ্যাট বের করে দিয়ে শরীর হাইড্রেইড করে থাকে। ২০০৯ সালের গবেষণা অনুযায়ী যারা নিয়মিত গ্রিন টি পান করেন তাদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশ কমে যায়। প্রতিদিন দুই থেকে তিন কাপ গ্রিন টি পান করুন। ডায়াবেটিসের সমস্যা না থাকলে এর সাথে মধু মেশাতে পারেন।

Comments

comments