মাইগ্রেন থেকে বাঁচার উপায়
মাইগ্রেনের ব্যথায় অনেকেই ভোগেন। তবে অভ্যেস বদলে ওষুধ ছাড়াও এই ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় মাসের তিন-চারটে দিন বাঁধা ধরা। কোনও কোনও মাসে দু’-তিন বার
২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বুধবার
মাইগ্রেনের ব্যথায় অনেকেই ভোগেন। তবে অভ্যেস বদলে ওষুধ ছাড়াও এই ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় মাসের তিন-চারটে দিন বাঁধা ধরা। কোনও কোনও মাসে দু’-তিন বার
করোনার উগ্রতা বাড়ছে দিনে দিনে। কিন্তু তা বলে তো আর দিনের পর দিন ঘরে বসে থাকা যাবে না! অফিস খুলছে, অন্য কাজকর্মও আছে। বাস-ট্রাম-অটোয়
মাথার যন্ত্রণার সঙ্গে বমি, ভুলে যাওয়া ও আচমকা ব্ল্যাক আউটের মতো উপসর্গ থাকলে সতর্ক হতে হবে। মাথা থাকলে মাথা ব্যথা হয়। সে আর নতুন
গরম বাড়ছে, সঙ্গে রয়েছে করোনাভাইরাসের দাপট। কাজেই এই সময় শরীরে জলশূণ্যতার আভাষ পেলে, ক্লান্তি, বিরক্তি যেমন চেপে ধরবে, শরীরের অন্য ক্ষতির পাশাপাশি ক্ষতি হবে
হোমিয়োপ্যাথি চিকিৎসা সম্পর্কে কমবেশি মূলধারার বহু চিকিৎসকের বিতৃষ্ণা আছে। প্রায় ২০০ বছর আগে জন্মলগ্ন থেকে বিতর্ক পিছু না ছাড়লেও বিশ্বের এক বিশাল সংখ্যক মানুষ
সন্তানের জন্মের পর শরীর সম্পর্কে সচেতন হতে হবে আরও বেশি। এই সময়ে মায়ের শরীর দুর্বল থাকে। তাঁর যত্নের প্রয়োজন। মনে রাখবেন, আপনার ছোট্ট সোনাকে
আনলক পর্ব শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পথে। তবে রোগমুক্তির কোনও লক্ষণ এখনও দেখা দেয়নি। তাই করোনাকে অবহেলা না করে বরং আরও
কোভিডের আতঙ্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে মুখ ও দাঁতের বড় সমস্যাতেও টুকটাক ওষুধ, মাউথওয়াশ, গরম সেঁক, লবঙ্গ তেল ইত্যাদির সাহায্যে দিন কাটাচ্ছেন মানুষ। কারণ
কোভিড কেড়ে নিয়েছে রাতের ঘুম। তার সঙ্গে চাকরির অনিশ্চয়তা, প্রিয়জনের জন্য উদ্বেগ, বেতন কেটে নেওয়ার পরিস্থিতি সব মিলিয়ে গৃহস্থের স্বাভাবিক জীবনযাপনে এক দীর্ঘকালীন জট পড়েছে।
একে পুরুষ তায় আবার মাথায় চুল কম? সাবধান! করোনা হানার তালিকায় আপনি থাকতেই পারেন উপরের দিকে! উহানে প্রথম যখন শুরু হয়, তখন থেকেই বিজ্ঞানীরা
শঙ্কা আগেই ছিল। উদ্বেগের সেই তথ্য পেশও করেছিল রাষ্ট্রপুঞ্জের পপুলেশন ফান্ড (ইউএনএফপিএ)। তাদের হিসাব অনুযায়ী, অল্প ও মধ্য আয়ের দেশগুলির অন্তত ৪ কোটি ৭০
একটু গা-গরম হলেই এখন টেনশন। সঙ্গে কাশি ও গলাব্যথা থাকলে তো কথাই নেই। কোভিডের আতঙ্কে মানুষ ভুলেই গিয়েছেন সাধারন ইনফ্লুয়েঞ্জার কথা। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে
মাত্র ছ’মাসের পুরনো করোনাভাইরাস ঘুম কেড়ে নিয়েছে সারা বিশ্বের। যত দিন যাচ্ছে, মুষ্টিমেয় কয়েকটি দেশ ছাড়া বাকি সর্বত্র সংক্রমণ বাড়ছে হু হু করে। এখনও
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের কাজে ব্যস্ত চীনা বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, তাঁরা ৯৯% নিশ্চিত যে এটি কার্যকর হবে। যুক্তরাজ্যের সম্প্রচারমাধ্যম স্কাই নিউজকে বেইজিংভিত্তিক জৈবপ্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাকের
বেক্সিমকো ফার্মার ওষুধ ‘ইভেরা টুয়েলভ’ সেবনে মিলছে সুফল II Evera 6 বেক্সিমকো ফার্মার ওষুধ ‘ইভেরা টুয়েলভ’ সেবনে মিলছে সুফল II Evera 12 বেক্সিমকো
লকডাউনের মরসুমে খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম, মানসিক দুশ্চিন্তায় অনিদ্রা, শারীরিক কসরত, জিম, যোগব্যায়াম ক্লাস বন্ধ— সব মিলিয়ে শরীরকে বইতে হচ্ছে অনেক অনিয়ম। ফলে শরীরে মেদের ভার
করোনা সংক্রমণ রুখতে বিশ্ব জুড়ে চলছে লকডাউন। কবে তা শেষ হবে কেউই বলতে পারছেন না। এই পরিস্থতিতে বাজার থেকে কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে অত্যাধুনিক
করোনার দাপটে ঘরবাড়ি পরিষ্কারেও বাড়তি নজর দিচ্ছেন সকলেই। প্রতিটি ঘরকেই জীবাণুমুক্ত রাখতে এখন অতিরিক্ত যত্ন প্রয়োজন। সাবান, বিশেষ করে গরম জলে সাবান ফেলে ঘরের
গেঁয়ো যোগী আসলে ভিখ পায় না। তাই আমাদের ঘরের বাইরে যে চিরঞ্জীব বনৌষধির ভাণ্ডার আছে, আমরা তাকে বিজ্ঞানের আলোকে মানতে রাজি নই। আমাদের মা-ঠাকুমারা
ত্বক বাঁচাতে মেনে চলুন কিছু নিয়ম। পৃথিবী জুড়ে ত্রাস সৃষ্টি করেছে কোভিড-১৯ ভাইরাস। এর হাত থেকে রক্ষা পেতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ-সহ বিজ্ঞানীদের দাওয়াই, বার বার
মুক্তি নেই কোভিড-১৯ থেকে। জনজীবনে আর পাঁচটা ফ্লু ভাইরাসের মতোই এই ভাইরাসও থেকে যাবে অপ্রতিরোধ্য হয়ে। এমনই শঙ্কার কথা জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)।
কোভিডের আতঙ্ক এখন নিত্যসঙ্গী। করোনার আবার অন্যতম লক্ষ্য শিশুরা, যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এমনিতেই কম থাকে। বাড়ির খুদে সদস্যটির প্রতি তাই এই সময়
হলুদ মেশানো দুধ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। করোনা-আক্রান্ত সময়ে আয়ুর্বেদ মেনে অনেকেই হলুদ মেশানো দুধ খাওয়া শুরু করেছেন। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
ঘরে বসে কাজ করাটা বেশ আরামের হবে বলে ভেবেছিলেন অনেকে৷ যাতায়াতের ধকল কমবে, বাড়িতে সময় দেওয়া যাবে, ঘরের খাবার খাওয়া যাবে, বিশ্রাম হবে ইত্যাদি ইত্যাদি৷ সবগুলিই হয়েছে