৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, সোমবার

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
Uncategorized
ইসলামী জীবন
ঔষধ ও চিকিৎসা
খাদ্য ও পুষ্টি
জানুন
নারীর স্বাস্থ্য
পুরুষের স্বাস্থ্য
ভিডিও
ভেসজ
যৌন স্বাস্থ্য
রান্না বান্না
লাইফ স্টাইল
শিশুর স্বাস্থ্য
সাতকাহন
স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য
স্বাস্থ্য খবর

প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হলুদ মানেই বিপদের সংকেত!

আমাদের শরীর থেকে প্রতিদিন প্রায় দেড় থেকে দুই লিটার পানি প্রস্রাব আকারে বেরিয়ে যায়। প্রস্রাবের সঙ্গে শরীর থেকে ইউরিয়ার মতো বিষাক্ত ও অপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বের করে দেওয়ার কাজটি করে আমাদের দুটি কিডনি। সাধারণভাবে প্রস্রাবের রঙ পানির মতো কিংবা হাল্কা বাদামি রঙের হয়ে থাকে। এ রঙ নির্ভর করে পানি পানের পরিমাণ, খাদ্য কিংবা কোনো রোগ বা ওষুধের ওপর।

আমাদের শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দিলে তার প্রথম আভাস আমরা প্রস্রাবের রঙ দেখেই বুঝতে পেরে থাকি। হলুদ প্রস্রাব হলে একদম প্রথমে আমাদের প্রচুর পরিমানে পানি খাওয়া উচিত। তার পরেও যদি হলুদ প্রস্রাব হয় তাহলে ডাক্তার দেখানো অতি আবশ্যক।

ডিহাইড্রেশন: আমাদের প্রস্রাবের রং হলুদ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো কম পরিমান পানি পান করা। ডিহাইড্রেশন হলে আমাদের উচিত প্রচুর পরিমানে পানি খাওয়া। অনেক কারণে ডিহাইড্রেশন হতে পারে যেমন খুব বেশি বমি হলে, খুব চিন্তা বা ক্লান্তি অনুভব করলে, খুব ঘাম হলে ইত্যাদি। আমাদের শরীরে পানির পরিমান কমে গেলে আমাদের প্রস্রাব হলুদ হয়ে যায়।

হেপাটাইটিস: হেপাটাইটিসের ফলেও আমাদের প্রস্রাবের রং হলুদ হতে পারে। সাধারণত লিভার ফুলে গেলে হেপাটাইটিস হয়ে থাকে। হেপাটাইটিস ভাইরাল ইনফেকশনের থেকেও হতে পারে। অনেক সময় খুব বেশি পরিমানে মদ খেলে সেইটা হেপাটাইটিস রোগে পরিনিত হতে পারে।

জন্ডিস: প্রস্রাব দেখে জন্ডিসের রোগ আমরা প্রথমেই বুঝতে পারি । তারপর মলের রঙও গাঢ় হলুদ হয়ে থাকে। তীব্র শরীর খারাপের সঙ্গে আমাদের গায়ের রঙ ও হলুদ হতে থাকে। জন্ডিস হয়ে থাকে খুব বেশি পরিমানের বিলুরুবিন যখন সৃষ্টি হয়ে যায় এবং আমাদের লিভার সেই বিলুরুবিন প্রস্রাবের সাহায্যে বাইরে বের করে দেয়। প্রস্রাব হলুদ হয়ে যাওয়া জন্ডিসের প্রথম লক্ষন।

সিরোসিস লিভার: লিভারের সমস্যা দেখা দিলে তা প্রস্রাবের রঙের উপর প্রভাব ফেলে। আমাদের লিভার আমাদের শরীরের একটা জরুরি অংশ। তাই হলুদ প্রস্রাব যখন লিভারের সমস্যার যখন দেখা দেয় তখন আমাদের উচিত প্রথমেই ডাক্তার দেখানো।

কিডনি স্টোন: প্রস্রাবের হলুদ হওয়া কিডনি স্টোনেরও সংকেত দেয়। তাই যদি প্রস্রাবের সময় কষ্ট অনুভব করেন আর প্রস্রাবও হলুদ হয় তাহলে খুবই জরুরি ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া। এই সবক্ষেত্রে দেরি করা একদমই উচিত না।

প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হলুদ হলে আমাদের ভেবে দেখতে হবে যে আমরা বীট রুট জাতীয় কোনো খাবার খেয়েছি কিনা। যদি খেয়ে থাকি তাহলে শরীর নিয়ে চিন্তা করার কোনো কারণই নেই। যদি এমন কোনো ওষুধও খাই যার মধ্যে হলুদ প্রস্রাব হওয়ার কেমিক্যাল থাকে তাহলে উচিত আমাদের খুব পানি খাওয়া। খুব পানি খাওয়ার ফলে অনেক সময় ঠিক হয়ে যায় প্রস্রাবের রঙ। অনেক পানি খাওয়ার পরেও যদি হলুদ প্রস্রাব হয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তার দেখানো অতি জরুরি।

সূত্র: অমৃতবাজার

Comments

comments