৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, সোমবার

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
Uncategorized
ইসলামী জীবন
ঔষধ ও চিকিৎসা
খাদ্য ও পুষ্টি
জানুন
নারীর স্বাস্থ্য
পুরুষের স্বাস্থ্য
ভিডিও
ভেসজ
যৌন স্বাস্থ্য
রান্না বান্না
লাইফ স্টাইল
শিশুর স্বাস্থ্য
সাতকাহন
স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য
স্বাস্থ্য খবর

জন্মেই শিশু কেন কাঁদে, না কাঁদলেই বা কী হয়?

কান্না, যা মানুষের দুঃখের, কষ্টের প্রতীক। কিন্তু এই কান্নাই মানুষের জীবনে সবথেকে সুখের হয় একসময়। জন্মের পর শিশুর প্রথম কান্না। এই কান্নাই জানান দেয় ৯ মাস গর্ভাবস্থা কাটিয়ে পৃথিবীতে শিশুর প্রথম আগমন। কিন্তু জন্মেই শিশু কেন কাঁদে? আর যদি না কাঁদে, তাহলেই বা কী হয়?

শিশু যখন ভ্রুণ অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে তখন তার আশ্রয় থাকে মায়ের গর্ভ। সেখানে সে একরকম পরিবেশের সঙ্গে বেড়ে ওঠে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থেকে শ্বাসপ্রশ্বাস সবকিছুর ধরণ সেই গর্ভের ভিতরের পরিবেশের সঙ্গে মানসই থাকে। কিন্তু সেই শিশু যখন গর্ভের বাইরে আসে তখন তার চেনা পরিবেশটা পাল্টে যায়।

শরীরের বিভিন্ন ফ্লইড নিঃসরণের ফলে আটকে যায় হৃদপিণ্ডের শ্বাস-প্রশ্বাসের পথ। তখন শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। শিশু আচমকা এরকম দম বন্ধ করা পরিবেশে এসে কষ্টে চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে। আর এই কান্নার ফলে পরিষ্কার হয়ে যায় শ্বাসপ্রশ্বাসের পথ। শিশু তখন স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস নিতে পারে। পৃথিবীর পরিবেশের সঙ্গে মানানসই হয়ে চলতে থাকে হৃদপিণ্ড।

কিন্তু শিশু যদি জন্মের পর এই কান্না না কাঁদে তবে কী হয়? শ্বাসপ্রশ্বাসের পথ পরিষ্কার হয় না। ফলে শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। এমনকি শিরা-উপশিরাগুলোতেও অক্সিজেন পৌঁছতে পারে না। এর ফলে দেখা দিতে পারে নানা রকমের প্রতিবন্ধকতা। তাই শিশু জন্মের পর স্বাভাবিক নিয়মে না কাঁদলে তাকে পশ্চাদদেশে থাপ্পড় মেরে কাঁদানো হয়।

Comments

comments