অনেকেই আছেন যারা একটু ব্যথা হলেই পেইন কিলার খান। কড়া কড়া অ্যান্টিবায়োটিক নিমেষেই দূর করে দেয় কব ব্যথা। কিন্তু আসলে কি এটি ঠিক?

চিকিৎসকরা বলছেন, একেবারেই না। বরং ঘনঘন, মুঠো মুঠো পেইন কিলার মানে, বিপদকেই ডেকে আনা। মারাত্মক সব সাইড এফেক্ট বাসা বাঁধছে শরীরে।

শুধু যে কিডনি, লিভারের মতো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি হচ্ছে তা-ই নয়, দীর্ঘমেয়াদী ফলও ভুগতে হতে পারে। পুরুষদের ক্ষেত্রে আশঙ্কার জায়গা, যৌনক্ষমতা হারানো।

এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয়ক ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ঠিকানা: – YouTube.com/HealthDoctorBD

সম্প্রতি এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে যে ওষুধের নাম, তার মধ্যে অনেকগুলোই সবার ঘরে ঘরে সাধারণ ওষুধের লিস্টের এক্কেবারে শুরুতেই থাকে। কিন্তু জানা থাকে না, এতেও লুকিয়ে আছে মহাবিপদ।

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন করে পেইন কিলার, বা দিনে দু’বারের বেশি ডোজ পুরুষদের জন্য বিপদের বার্তা। আজকাল অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইলও পুরুষদের যৌনক্ষমতা হারানোর বড় কারণ। তবে দেখা গেছে, পেইন কিলার নিয়মিত খেলে পুরুষদের যৌনক্ষমতা হারানোর সম্ভাবনা ৩৮ শতাংশ বেড়ে যায়।

কোডেইন, মেথাডন, মরফিনের মতো পেইন কিলার শরীরে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরিতে বড় বাধা হয়ে ওঠে। ফলে অনেক কম বয়সেই পুরুষ যৌনক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারে।

অতএব সাবধান। একমাত্র সতর্কতাই এই বিপদ থেকে মুক্তির পথ। ব্যথা হলেই পেইন কিলার খেয়ে জীবনে ব্যথা বাড়াবেন না।