১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, শনিবার

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
Filter by Categories
Uncategorized
আরও
ইসলামী জীবন
ঔষধ ও চিকিৎসা
খাদ্য ও পুষ্টি
জানুন
নারীর স্বাস্থ্য
পুরুষের স্বাস্থ্য
প্রচ্ছদ
ভিডিও
ভেসজ
যৌন স্বাস্থ্য
রান্না বান্না
লাইফ স্টাইল
শিশুর স্বাস্থ্য
সাতকাহন
স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য
স্বাস্থ্য খবর

গরমে কনুই, ঘাড়, স্তনের নীচের অংশ, যৌনাঙ্গ-সহ শরীরের নানা জায়গায় এই সমস্যা দেখা দেয়, প্রতিকার কী ভাবে হবে?

 শরীরের ভাঁজে ভাঁজে যে অংশে পোশাকের সঙ্গে ত্বকের ঘর্ষণ হয়, সেখানেই মূলত এই ধরনের সমস্যাগুলি দেখা দেয়৷ কনুইয়ে, ঘাড়ে, গলায়, স্তনের নীচে, বাহুমূলে এবং যৌনাঙ্গে এই সংক্রমণ হয়৷

গরমে যে শরীরিক সমস্যার জন্য জেরবার হয়ে যেতে হয়, তার মধ্যে অন্যতম ত্বকের সংক্রমণ৷ গরমে অতিরিক্ত আর্দ্রতায় ত্বকে নানা রকমের সংক্রমণ দেখা দেয়৷ যখন স্কিন পোরস আটকে যায়, তখন ঘাম ত্বকের ভিতর থেকে বাইরে আসতে পারে না৷ সাধারণ ফোস্কা থেকে বড় আকারের লাল ফোঁড়া-দেখা দিতে পারে অনেক কিছুই৷ ঘামাচি ছাড়াও এই ধরনের সংক্রমণ গরমের কষ্ট বাড়িয়ে তোলে৷ সাধারণত এই সংক্রমণ নিজের থেকেই সেরে যায়৷ তবে অতিরিক্ত চুলকানি, জ্বালা ও যন্ত্রণায় নাকাল হয়ে চিকিৎসকের কাছে যেতেই হয়৷

উপসর্গ –

সংক্রমণের কারণ-

এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয়ক ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ঠিকানা: – YouTube.com/HealthDoctorBD

# ত্বকের স্বেদগ্রন্থি দিয়ে ঘাম ঠিকমতো বাইরে বার হতে না পারলে এই সমস্যা দেখা দেয়৷ ত্বকের নীচের স্তরে ঘাম, তেল আটকে থেকে ইনফ্লেম্যাশন ও সংক্রমণ দেখা দেয়৷ কোন কোন কারণে স্বেদগ্রন্থি বন্ধ হয়ে যায়, জানুন-

# সদ্যোজাতর স্বেদগ্রন্থি পরিপূর্ণ হয় না৷ সেগুলি সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ ফলে জন্মের কয়েক দিন পরই সংক্রমণ দেখা দিতে পারে৷

# অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্রতায় এই সমস্যা হয়৷

# বেশি কায়িক শ্রমে বেশি ঘাম নির্গত হয়৷ ফলে ত্বকে সংক্রমণ হতে পারে৷

কী করে এড়াবেন-

গরমে যতটা সম্ভব সুতির হাল্কা পোশাক পরুন৷ চাপা পোশাক একদমই পরবেন না৷ সব সময় ঢিলেঢালা পোশাক পরুন৷ যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে৷ বেশি গরমে থাকবেন না৷ চেষ্টা করুন রোদ এড়িয়ে ছায়ায় থাকতে৷ রাতে ঠান্ডা জায়গায় ঘুমোতে যান৷ আপনার ঘুমনোর জায়গা যেন দমবন্ধ করা গুমোট না হয়৷

কখন জটিলতা-

গরমজনিত ত্বকের সংক্রমণ সাধারণত এমনিতেই সেরে যায়৷ চন্দন বা ক্যালামাইন জাতীয় প্রলেপ দেওয়া যায়৷ তবে অনেক সময়েই বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ তীব্র হয়৷ সংক্রমণের অংশে যন্ত্রণা হয়ে গেলে, ফুলে গেলে, সেখান থেকে পুঁজ বার হলে, জ্বর বা কাঁপুনি এলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷

Comments

comments