২৬শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রবিবার

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Filter by Categories
Uncategorized
ইসলামী জীবন
ঔষধ ও চিকিৎসা
খাদ্য ও পুষ্টি
জানুন
নারীর স্বাস্থ্য
পুরুষের স্বাস্থ্য
ভিডিও
ভেসজ
যৌন স্বাস্থ্য
রান্না বান্না
লাইফ স্টাইল
শিশুর স্বাস্থ্য
সাতকাহন
স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য
স্বাস্থ্য খবর

করোনাভাইরাস: গুরুতর রোগীদের আশা দেখাচ্ছে আরও দুই ওষুধ

গুরুতর অসুস্থ কভিড রোগীদের ক্ষেত্রে রোশে কোম্পানির আর্থ্রাইটিসের ওষুধ অ্যাকটেমরা বা সানোফির কেভজারা মৃত্যুহার এবং ইনটেনসিভ কেয়ারে থাকার সময় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমিয়ে আনতে পারে বলে তথ্য মিলেছে এক গবেষণায়। খবর রয়টার্সের।

মানুষের হাতে থাকা কিছু ওষুধ যে কভিড রোগীদের চিকিৎসায় উপকারে লাগতে পারে, সেই আত্মবিশ্বাসকে মজবুত করবে এই গবেষণার ফলাফল। তবে এ গবেষণার ফলাফল এখনও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের স্বাধীন পর্যালোচনার অপেক্ষায় আছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ইমিউনোসাপ্রেসিভ ড্রাগ (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে যা দমিয়ে রাখে) অ্যাকটেমরা ও কেভজারা গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কভিড রোগীদের মৃত্যুর হার ৮ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারে। এ গবেষণায় যুক্ত থাকা লন্ডন ইমপেরিয়াল কলেজের অধ্যাপক অ্যানটোনি গর্ডন বলেন, হাসপাতালে যাদের ওই দুটি ওষুধের মধ্যে একটি দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রতি ১২ জনের মধ্যে বাড়তি একজনের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয়ক ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ঠিকানা: – YouTube.com/HealthDoctorBD

করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ এখনও তৈরি হয়নি। যুক্তরাজ্যের ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার জোনাথন ভ্যান-ট্যাম বলেছেন, প্রাণ বাঁচানোর পাশাপাশি হাসপাতাল ও আইসিইউর ওপর চাপ কমাতে এসব ওষুধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কভিড চিকিৎসায় আলাদা কোনো ওষুধ এখনও তৈরি না হওয়ায় প্রচলিত ওষুধের মধ্যে কোনগুলো এ রোগের উপশমে কাজে লাগতে পারে, তা নিয়ে কাজ চলছে বিভিন্ন দেশে। এর মধ্যে জেনেরিক স্টেরয়েড ডেপামেথাসোন এবং গিলিয়াডের অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির কিছু দেশে গুরুতর কভিড রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

অ্যাকটেমরা ও কেভজারা নিয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণাটি চালানো হয়েছে গুরুতর অসুস্থ ৮০০ কভিড রোগীর ওপর। গবেষণায় দেখা গেছে, ওই দুটি ওষুধের যে কোনো একটি প্রয়োগের পর মৃত্যুর হার ৩৫ দশমিক ৮ থেকে কমে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। তাছাড়া ওই দুটি ওষুধ দেওয়ার পর রোগীরা তুলনামূলকভাবে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন। রোগীদের আইসিইউতে থাকার গড় সময় সাত থেকে দশ দিন কমে এসেছে। অ্যানটোনি গর্ডন বলেন, সেরে ওঠার ক্ষেত্রে এটা একটা বড় পরিবর্তন। ওই দুটি ওষুধ জীবন বাঁচাতে পারে।

সূত্র: সমকাল

Comments

comments