৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
Uncategorized
ইসলামী জীবন
ঔষধ ও চিকিৎসা
খাদ্য ও পুষ্টি
জানুন
নারীর স্বাস্থ্য
পুরুষের স্বাস্থ্য
ভিডিও
ভেসজ
যৌন স্বাস্থ্য
রান্না বান্না
লাইফ স্টাইল
শিশুর স্বাস্থ্য
সাতকাহন
স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য
স্বাস্থ্য খবর

ফ্লু শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডায় ভুগছেন, খেয়ে দেখুন কাবাসুরা কুদিনী

গ্রীষ্মে আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে জ্বর, সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ে।

সাধারণ ফ্লু বা করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন চিকিৎসক ও গবেষকরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হলে তা যে কোনো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে।

এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয়ক ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ঠিকানা: – YouTube.com/HealthDoctorBD

তাই সুস্থ থাকতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইসিএমআরের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

সম্প্রতি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে আয়ুষ মন্ত্রক একটি ওষুধের কথা জানিয়েছে। এর নাম হলো– কাবাসুরা কুদিনীর।

এটি শরীরকে যে কোনো সংক্রমণ ঠেকাতে খুবই কার্যকর। বিশেষ করে শ্বাসকষ্টজনিত রোগ, ফ্লু ও ঠাণ্ডা সারাতে খুব ভালো কাজ করে।

এই ওষুধ বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। আপনি চাইলে ঘরেই তৈরি করতে পারেন এই ওষুধ-

এই ওষুধ তৈরি করতে প্রয়োজন হবে বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গাছ ও ঘরে থাকা কিছু উপাদান।

যেভাবে তৈরি করবেন কাবাসুরা কুদিনী-

উপকরণ

আদা, পিপুল, লবঙ্গ, দুস্পর্শা, ককিলাক্ষ, হরীতকী, মালাবার বাদাম, আজ্বাইন, কুস্তা, গুডুচি, ভারাঙ্গী, কালমেঘ, রাজা পাতা, মুস্তা ও পানি।

তৈরির পদ্ধতি

শুকনো করে সব উপাদান একসঙ্গে গ্রাইন্ডারে গুঁড়ো করে নিন। গুঁড়োতে পানির ভাব দূর করার জন্য সূর্যের আলোতে শুকিয়ে নিন।
এবার শুকনো গুঁড়োতে হাফ লিটার পানি মিশিয়ে ফোটাতে থাকুন। যতক্ষণ না পর্যন্ত পানি মিশ্রিত গুঁড়াটি ফুটে গিয়ে ১০০ মিলিলিটারে পরিণত হয়।

এর পর মসলিন কাপড় ব্যবহার করে ফোটানো উপকরণ ছেঁকে নিন। এর পর সংরক্ষণ করে কিছুক্ষণ পর থেকে ব্যবহার করুন।

সেবন বিধি

১. দিনে একবার করে খাওয়ার আগে এটি খেতে হবে। সপ্তাহে তিন দিন খেতে হবে। যদি আপনি সর্দি-কাশি বা ফ্লুতে ভোগেন, তবে প্রতিদিন খেতে পারেন।

২. প্রাপ্তবয়স্করা খাবেন ৬০-৯০ মিলিলিটার।

৩. ১২ বছরের বেশি বয়সের শিশুরা খাবেন ৩০-৪৫ মিলিলিটার।

৪. ৫-১০ বছরের শিশুরা খাবেন ১০ মিলিলিটার।

৫. যারা দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পান করুন।

৬. টাইফয়েড, ডায়রিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং ১ থেকে ৫ বছরের শিশুদের খাওয়ানোর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই

Comments

comments